আত্ম-বিনিয়োগ বা SELF INVESTMENT :

ব্রি : দ্র : যারা ১৮-২৫ তাদের জন্য :

স্বপ্ন দেখা বা গোল নির্ধারণ : কেউ একজন যদি চিন্তা করে আজকে সে ৫ মাইল হাটবে তাহলে সে ৫ মাইল না হাঁটুক কমপক্ষে সে ৩ মাইল তো হাটবে। অন্যদিকে কেউ যদি হাঁটার কথা চিন্তা না করে ,তাহলে সে কি ১ মাইল ও হাটবে ? স্বপ্ন ছাড়া কেউ কোনো দিন কিছুই করতে পারেনি। জগতে যারা বড় জায়গায় পৌঁছেছে তারা সবাই স্বপ্ন দেখে এবং নতুন নতুন গোল নির্ধারণ করে এগিয়ে যায়। আব্দুল্লাহ আবু সায়েদ স্যার-এর সুরে সুর মিলিয়ে বলা যায় ” মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড় ” বা বুদ্ধের কথা বলা যায় ” What you think, you become.”

মেটেরিয়াল বা জিনিসপত্র থেকে দূরে থাকা : এমন সময়ে আমরা বাস করি যেখানে ভালো কিছু করা অনেক সহজ আবার একই সাথে বস্তুবাদী হয়ে উঠা এই সময়ের কারণেই। বিভিন্ন ধরণের ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস,ফ্যাশনেবল ড্রেস-এ বাজার ভরপুর। দামী ডিভাইস বা কাপড় ছাড়া আমাদের চলে না। আজকে কোন ড্রেসটা পরবো বা পরবর্তী iPhone বা Samsung কোনটা বাজারে আসলো – এই চিন্তাগুলো আমাদেরকে পিছিয়ে দেয়। এই এমন এক সময় যখন কয়েক শত বই পড়ে নিয়ে পারি।এ এমন এক সময় যখন আমরা অন্যের দেখে পরীক্ষা পাস্ না করে নিজের যোগ্যতার উপর জোর দিয়ে ভালোর দিকে এগিয়ে যাওয়া। এ এমন এক সময় যখন একটা বিদেশী ভাষা শিখার চেষ্টা করা এবং শিখে নেয়া। খুব ভালো হয় যদি ইংলিশটা ভালোভাবে শিখে নেয়া যায়।

খারাপ জিনিস থেকে বিরত থাকা : এই উর্বর সময়ে আমরা কেউ কেউ হয়ে উঠি দিকবিজয়ী আবার আমরা অনেকেই এই ধাপে জীবনকে নষ্ট করে ফেলি। খারাপ জিনিসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী জিনিসটার নাম হচ্ছে অসৎ সঙ্গ বা খারাপ মানুষের সাথে বন্ধুত্ব। এই সময়ে আমরা সিগারেট খাওয়া শিখি বন্ধুদের কাছ থেকে,মেয়েবাজী শিখি বন্ধুদের কাছ থেকেই । অত্যাদিক মুভি দেখা বা টাকার চিন্তা থেকে বিরত থাকতে হবে। টাকা অসমে খুব খারাপ জিনিস কিন্ত।

সমচিন্তিয় বা ভালো মানুষগুলোর সাথে বন্ধুত্ব করা : এই জগতের সবচেয়ে সুন্দর জিনিসটির নাম বন্ধুত। ভালো বন্ধু না থাকলে জীবন অর্থহীন। আড্ডা,জগড়া আর খুনসুটির আরেক নাম বন্ধুত্ব। এরা আপনাকে বিপদে আগলে রাখবে,খুশির সময় হাসবে আর কষ্টে নিপতিত হলে কাঁদবে। একজন মানুষ উপরে উটার জন্য বন্ধুর প্রভাব অনেক এই যেমন বিল গেট্স এর আজকের বিল গেট্স হওয়ার পেছনে বন্ধু এলেন বা বন্ধুর মত উচ্চমার্গীয় মেন্টর ওয়ারেন বাফেট পেছনে ছিলেন। তবে এই জিনিসটা খুব দরকারি যে সমান চিন্তার মানুষগুলোকে খুব কাছের বন্ধু করে নিতে হবে।

বর্তমান সময় হাতে-কলমে দক্ষতার সময় : এই শতকে যে জিনিসটা মাথাছাড়া দিয়ে উঠেছে সেটা হচ্ছে হাতে-কলমে স্কিল বা দক্ষতা। সুখের বিষয় হচ্ছে এখন আপনি একটা দক্ষতা অর্জন করে নিয়ে পারেন ইন্টারনেট থেকে। ইউটিউব,গুগল এখন আস্ত একটা বিশ্ববিদ্যালর। যে কোনো জিনিস আপনি খুব সহজে শিখে নিয়ে পারেন। একজন সমাজবিজ্ঞানে পড়ুয়া ছাত্র চাইলে কিন্ত বড় একজন প্রোগ্রামার হতে পারেন। এখন কোম্পানিগুলো ও নির্ভর হয়ে যাচ্ছে স্কিলফুল এমপ্লয়ীর উপর। দক্ষতা থাকলে চাকরি কাউকে খুজতে হয়না,চাকরিই তাদের খুঁজে। গুগল,মাইক্রোসফট,এমাজন,ফেসবুক এই বিলিয়ন ডলার কোম্পানিগুলো দক্ষতাপূর্ন মানুষ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খুঁজে আনে।

নেটওয়ার্ক বা বিভিন্ন মানুষের সাথে সম্পর্ক : মানুষের সাথে সম্পর্ক এই জন্য যে,যে কোনো বিপদ আপদে একে অন্যের সাহায্যে আসা। চাকরির ক্ষেত্রে এই নেটওয়ার্ক কাজ করে ম্যাজিকের মত। আপনার বড় এক ভাই কাজ করেন কোনো কোম্পানিতে আর আপনার উনার সাথে ভালো সম্পর্ক আছে এর মানে আপনার ওই কোম্পানিতে চান্স পাওয়ার সম্ভবনা খুব বেশি।

Advertisements