জিপিএ একটা নাম্বার মাত্র। জিপিএ একটা ছেলে/মেয়ে তার ডেডিকেশন লেভেলটা দেখায়। আর জিপিএ পরবর্তী অনেক ধাপে কাজে আসে এই যা। তবে এইগুলিই সব না। কোনোভাবে এই জিপিএ একজন মানুষের সফলতা নির্ধারণ করে না। কোনোভাবেই না।

একটা প্রতিষ্টান ইট-পাথরের গড়া। এটার কোনো প্রাণ। একটা প্রতিষ্টান হয়তো একটা সুন্দর পরিবেশ দিতে পারে বা দিতে ব্যার্থ হতে পারে এই যা। হ্যা ,প্রতিষ্টান সব না।আমি আবার বলছি ,প্রতিষ্টানই সব না।  এরকম হলে নোবেলধারীরা সবাই  হার্ভার্ড,অক্সফোর্ড,এমআইটি,কলম্বিয়া বা স্ট্যানফোর্ড থেকে বের হতো সব সময় । এমনটা কিন্ত হচ্ছে না। প্রতিষ্টানই সব হলে প্রতিবছর বিসিএস ক্যাডাররা সবাই ঢাবি,চবি,জাবি বা সাস্ট থেকে বের হতো। এমন যদি হতো তাহলে বাংলাদেশের সব বড় বড় ইঞ্জিনিয়াররা শুধু বুয়েটেরই হতো।

এইকথা গুলো কতবার যে আমার ভাইকে বলেছি তার সংখ্যা আমার জানা নেই। একজন মানুষ বড় হয় তার স্বপ্নে ,তার চিন্তায়। এটা শুধু পড়াশুনার ক্ষেত্রে নয় ,জীবনের প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। একজন মানুষ ব্রান্ডের কাপড় পড়লেই ভালো হয়ে যায় না। একজন মানুষ তত সময় সুন্দর হবে না যতক্ষণ সে ভিতর থেকে সুন্দর হচ্ছে না । যতক্ষণ আমাদের ভেতরটা স্বপ্নে,আনন্দে,মনুষত্বে ভরপুর হচ্ছে না ততক্ষন আমরা শুধু মাত্র জিপিএ,ভালো শিক্ষা প্রতিষ্টান বা ব্যাংকের অঢেল টাকা দিয়েও সফল হতে পারবো না। জীবনে ,জগতে ,জাতিতে জাতিতে ,সময়ে সময়ে যারা বা যিনি বড় হয়েছেন তারা সবাই আগে তাদের স্বপ্নে বড় হয়েছেন ।

কোনোভাবেই  ভেঙে পড়লে হবে না। আনন্দকে আমি একটা সচল গাড়ির চাকার সাথে তুলনা করি। আর হতাশা বা নিরাশাকে একটা ফুটো চাকার সাথে। এখন আপনারাই বলেন ,ফুটো চাকা কতদূর যেতে পারে ? ইংরেজিতে একটা কথা আছে। আমেরিকানরা খুব করে ব্যবহার করে “It’s not end of the world” । কোনো কিছুরই শেষ নাই। আমাকে তোমার স্বপ্নগুলো বলো ,আমি তোমাকে ভাই বা বন্ধু হিসাবে জড়িয়ে নিবো কারণ আমি জানি তুমি একদিন আমাকে ভাই বা বন্ধু হিসাবে গর্বিত করবে।  “সংসার সাগরে দুঃখ তরঙ্গের খেলা ,আশা তার একমাত্র ভেলা” ব্যাখ্যাটা পরীক্ষায় লিখে ভালো মার্ক্স্ পেয়েছেন কিন্ত অন্তরে ধারণ করেন নাই। আশার ভেলায় ভাসুক প্রত্যেকটা জীবন ,জীবন সুন্দর হতে বাধ্য। জীবন অসহ্য রকমের সুন্দর। সৃষ্টিকর্তা আমাদেরকে ভালো রাখুক

Advertisements